এসএসসি ২০২৬ | মোহাম্মদপুর, ঢাকা
গতানুগতিক কোচিং নয় — ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্তের প্রাইভেট ব্যাচ
আপনার সন্তান সেই ৯৩ জনের মধ্যে থাকবে এটা তো খুব স্বাভাবিক বিষয় — যদি আপনি সিরিয়াস না হন।
এখন আপনি ভাবতে পারেন যে, সে তো সবেমাত্র ক্লাস 10-এ উঠেছে, এখন কি সিরিয়াস হতে হবে? তাহলে এটা হবে আপনার বোকামি? কারণ জানুয়ারি মাস= স্কুলের খেলাধুলার প্রোগ্রাম হবে ফেব্রুয়ারি মাস = ভোট/ নির্বাচন মার্চ মাস = রমজান এরই মাঝে হুট করে সিটি পরীক্ষা দিয়ে দিবে, তারপর ছাত্রের বুঝে উঠতে না উঠতেই হুট করে রমজানের পর হয়ত প্রি টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে দিবে। সে কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই তার এত সময় পার হয়ে যাবে যে, সে মনে মনে ভিতরে ভিতরে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে যে, সে ভালো কোনো রেজাল্ট করতে পারবে। আর একবার তার বিশ্বাস ভেঙে গেলে, আমি কে, আর আপনি কে, কেউই তাকে আর পড়াশোনায় তেমন মনোযোগী করতে পারবে না। ফলে তার এসএসসি পরীক্ষা খারাপ হবে এবং ভবিষ্যত হবে অন্ধকার। সন্তান আপনার, ভাববেন আপনি, আমি কেন এগুলো আপনাকে মনে করাবো, কিছু মনে করবেন না, সন্তান নিয়ে কি আপনার টেনশন নাই। আমি প্রাইভেট ব্যাচ পড়াই, আমি পড়ালে টাকা পাই, আমি নিজের টাকার জন্য এত ভাবতে পারি, ভেবে আপনাকে মনে করাতে পারি, তাহলে আপনি নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য কেন এগুলো ভাবেন নাই। যাই হোক, আপনি যদি নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ/রেজাল্ট এরকম মারাত্মক হওয়া থেকে বাঁচাতে চান......
তাহলে এখন আমি যা বলছি তা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন ⬇️
⚠️ মনে রাখবেন, এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ। 🎓
যদি এই ৬টির মধ্যে ১টিও থাকে, তাহলে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে
২০২০ সালে ক্লাস ৪: করোনার কারণে পড়াশোনা পুরোপুরি বন্ধ। নিজের পড়ার ভিত্তি গড়ার সময় কোনো পড়াশোনা হয়নি। ভিত্তি তৈরির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বছর নষ্ট।
২০২১ সালে ক্লাস ৫: বাচ্চাদের বড় হওয়ার বয়স। এখন তারা সমাপনী পরীক্ষা দিবে। কিন্তু সেই বছরও করোনায় বরবাদ।
২০২২ সালে ক্লাস ৬: ২ বছর যারা পড়েনি, পড়ার অভ্যাস নাই। অভ্যাস না থাকার কারণে লম্বা সময় পড়তে পারে না। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই বছর তো সে ক্লাস ৬ এ। অর্থাৎ সাধারণ গণিত থেকে বীজগণিতের লাফ দেওয়ার বয়স, ব্রেইন বিকাশের বয়স। কিন্তু পড়ার অভ্যাস আর নেই যে😢
২০২৩ সালে ক্লাস ৭: নতুন কারিকুলামের নামে গ্রুপ স্টাডি, অ্যাসাইনমেন্ট, বইয়ের ছক পূরণ — এসব আজাইরা কাজে brain নষ্ট।
২০২৪ সালে ক্লাস ৮: আবারো একই নতুন কারিকুলামের নামে আজাইরা কাজে brain নষ্ট, লাগাতার ২টা বছর নতুন কারিকুলামের নামে খারাপ হলো । তারপর জুলাই আন্দোলন। শেষের দিকে সিলেবাস চেঞ্জ, ফরম্যাট চেঞ্জ। নিজের গতি মিলাতে না মিলাতেই ফাইনাল পরীক্ষা।
২০২৫ সালে ক্লাস ৯: এখন SSC-এর বছর, নতুন সায়েন্স/ কমার্স/ আর্টস নেওয়ার বয়স। কিন্তু আগের ৪ বছরের gap এখনো পূরণ হয়নি (+) নতুন বোর্ড বই আসতে হলো দেরি, প্রায় এপ্রিল মাসে আসলো নতুন বই — বিভাগ সিস্টেম অর্থাৎ সায়েন্স/কমার্স/আর্টস—নতুন তারা দেখছে। এখানে ঠিকমতো খাপ খাওয়াতে না খাওয়াতেই চলে আসলো অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা। তারপর বার্ষিক পরীক্ষাও হয়ে গেলো, রেজাল্টও পেয়ে গেলো, ২০২৬ সালও চলে আসলো। কিন্তু সে হয়তো পড়ার কিছুই গুছিয়ে উঠতে পারে নাই😢।
প্রশ্ন: ছেলেটা পড়লো কোথায়? ২০২০ থেকে ২০২৫ — ক্লাস ৪ থেকে ক্লাস ৮ । ৫টা বছর নষ্ট😢
"আম্মু, আমি চেষ্টা করি কিন্তু পারি না।"
এই কথা শুনে আপনার বুক ফেটে যায়, তাই না? আপনার মেধাবী সন্তান গণিত দেখলেই ভয় পায়। বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি — সব কঠিন লাগে।
আসল সমস্যা কী?
ফলে পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ Marks। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে। "আমি বোকা" মানসিকতা তৈরি হচ্ছে।
এটা আরও বিপজ্জনক! আপনার সন্তান বাসায় অংক করতে পারে। কিন্তু পরীক্ষায় একই অংক একটু ভিন্নভাবে আসলেই — সম্পূর্ণ blank!
এই কারণে অনেক "ভালো ছাত্র" পরীক্ষায় খারাপ করে। কারণ তারা শিখেছে না — মুখস্থ করেছে।
Right Form of Verb, Tag Question, Transformation — এসব দেখলেই মাথা ঘুরে যায়।
ফলে ইংরেজিতে marks কম আসে। ভবিষ্যতেও ইংরেজি ভয় থেকে যায়। এমনকি চাকরিতেও সমস্যা হয়।
সবচেয়ে ভয়ংকর সমস্যা! আপনার সন্তান paragraph মুখস্থ করে লেখে। নিজে বানিয়ে এক লাইনও লিখতে পারে না।
ফলে পরীক্ষায় নতুন টপিক এলে ফাঁকা থেকে যায়। মুখস্থ করা paragraph দিয়ে কাজ হয় না।
এটা খুবই সিরিয়াস সমস্যা। আপনার সন্তান ক্লাসে কিছু বুঝছে না, কিন্তু প্রশ্ন করছে না।
ফলে সারা বছর "আছে আছে" বলে চলে যায়। পরীক্ষার সময় বুঝতে পারে কিছুই শেখেনি।
এখন যদি সঠিক পদক্ষেপ না নেন, তাহলে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ রেজাল্ট হওয়ার সম্ভাবনা প্রচণ্ড বেশি।
কারণ ৪ বছরের পড়াশোনার ঘাটতি মাত্র কয়েক মাসে পূরণ করা অসম্ভব — যদি না সঠিক শিক্ষক এবং সঠিক পদ্ধতি থাকে।
তাই এখন আমি আপনাকে দেখাচ্ছি প্রতিটা সমস্যার সমাধান ⬇️
⚠️ মনে রাখবেন — এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ — ছোট্ট ১২ জনের ব্যাচ যার মধ্যে অলরেডি ৪ জন হয়ে গেছে।
আর মাত্র ৮ জন — সিট শেষ হওয়ার আগে দ্রুত নিজের সন্তানকে ভর্তি করুন!
সন্তানকে ভর্তি করাতে/কিছু জানতে নিচের বাটনে টিপ দিয়ে WhatsApp করুন 👇
📱 এখনই WhatsApp করুনপ্রতিটি সমস্যার জন্য রয়েছে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর সমাধান
সমস্যা-১: বিগত ৪ বছরের পড়াশোনার ঘাটতি
সমাধান: Foundation Recovery Program
৫ বছরের Gap কীভাবে পূরণ করবো?
মাত্র ৩ সপ্তাহে আমরা ক্লাস ৫-৬-৭-৮-৯ এর অনেকগুলো critical concepts recover করবো:
এই program-এর বিশেষত্ব:
⚡ Result: ৩ সপ্তাহ পর আপনার সন্তান মোটামুটি ভালো একটা Foundation নিয়ে ক্লাস ১০-এর পড়া শুরু করবে।
Foundation Recovery Program বেসিক পড়ানোর সাথে জড়িত, তাই আমি বেসিক কেমন পড়াই তা এক ছাত্রীর মুখে নিজে শুনুন:
"Apnr pora ek kothai best … Apni Full basic theke bujhan pora ei jnno apnr chara onno kothaw pora bujtey e pari nah 2019 e theke 2023 pjnto apnr kacce E porse Allahmdulilah SSC and HSC vlw e result korty parse apnr obodan onk"
সমস্যা-২: গণিত দেখলেই ভয় পায়
সমাধান: Basic-First Approach
আমরা কোনো Chapter শুরুর আগেই সেই Chapter-এর সব Basic Concepts একদম পরিষ্কার করে দেই।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?
প্রশ্নের শব্দ ক্লিয়ার না থাকলে প্রশ্নই বুঝবে না। প্রশ্ন না বুঝলে উত্তর কীভাবে পারবে?
উদাহরণ দেখুন:
"একটি ৫০ মিটার উঁচু দালানের ছাদ থেকে ভূতলস্থ একটি বিন্দুর অবনতি কোণ ৩০°। ওই বিন্দুর দালান থেকে দূরত্ব কত?"
আপনার সন্তান পড়ছে এই প্রশ্ন। কিন্তু:
শব্দগুলোই clear না। তাহলে অংক করবে কীভাবে?
আমরা কী করি?
📥 প্রমাণ দেখুন:
"দূরত্ব ও উচ্চতা" chapter-এর জন্য আমার তৈরি Basic Sheet
এতে কী লাভ?
"Sir ar Kase Ami 2 bosor ar aktu besi porechi Ami onk kichu sikhte perechi Sir ar math onk Valo kore bujhai ar unar basic bujhano ta oshadharon Tar shate English to asei full basic diye sikhano"
সমস্যা-৩: পরীক্ষায় ঘুরিয়ে দিলে পারে না
সমাধান: "ঘুরানো প্রশ্নের কালেকশন" শিট
এটাই আসল সমাধান!
আমি একটা বিশেষ শিট তৈরি করেছি যার নাম "ঘুরানো প্রশ্নের কালেকশন"। এই শিটে আমি দেখাই যে একটা প্রশ্নকে প্রায় ১০/১১ ভাবে ঘুরিয়ে পরীক্ষায় দিতে পারে।
এতে কী হয়?
এটা অনেক মূল্যবান একটা শিট। কোনো কোচিং হয়ত এই ধরনের শিট দেয় না।
↑ এই শিটের একটা ঝলক — দেখুন কীভাবে একটা প্রশ্নকে ১০+ ভাবে ঘুরিয়ে দেখানো হয়
⚡ Result: পরীক্ষায় যেভাবেই প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসুক না কেন, আপনার সন্তান পারবে!
সমস্যা-৪: ইংরেজি গ্রামারে দুর্বল
সমাধান: ইংরেজি গ্রামার - আর ভয় নয়
গ্রামার মানে শত শত rules মুখস্থ? না! আমার কাছে গ্রামার মানে ১ পৃষ্ঠা!
আমি ইংরেজি শেখানোর জন্য এতটাই serious যে ২টি সম্পূর্ণ বই লিখেছি। একটা বেসিক ইংরেজির উপর, আরেকটা রাইটিং এর উপর। কিন্তু আসল জাদু হলো - আমি জটিল গ্রামার টপিকগুলোকে ১ পৃষ্ঠায় নিয়ে আসি।
অন্য টিচাররা ৬৪+ rules মুখস্থ করতে বলে। আমি? মাত্র ১ পৃষ্ঠা! এই ১ পৃষ্ঠা দিয়েই Right Form of Verb এর ৯৫% সমস্যা solve হয়ে যায়।
📥 Right Form of Verb (১ পৃষ্ঠা)Tag Question এর জন্যও আমার একটা সহজ শিট আছে। বাচ্চারা এটা দেখে ৫ মিনিটে শিখে ফেলে।
📥 Tag Question Sheetশুনতে অবিশ্বাস্য লাগছে? কিন্তু সত্য। আমি পুরো বেসিক ইংলিশ বইয়ের সারমর্ম ১ পৃষ্ঠায় নিয়ে এসেছি।
📥 বেসিক ইংলিশ (১ পৃষ্ঠা)ইংরেজি শেখানোর প্রতি আমি কতটা dedicated তার প্রমাণ - আমি ২টি সম্পূর্ণ বই লিখেছি:
📖 বেসিক ইংলিশ বই 📖 ইংরেজি রাইটিং কোর্স"স্যার ইংরেজি এত সহজ করে বুঝান যে গ্রামার আর কঠিন লাগে না। আমি ইংরেজিতে অনেক দুর্বল ছিলাম, এখন Alhamdulillah অনেক ভালো বুঝি।"
সমস্যা-৫: ইংরেজি নিজে থেকে লিখতে পারে না
সমাধান: ইংরেজি রাইটিং - মুখস্থ নয়, বুঝে লিখুন
এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা - এবং আমিই একমাত্র এটা শেখাই!
আপনার সন্তান paragraph মুখস্থ করে লেখে। নিজে বানিয়ে লিখতে পারে না। কেন?
আমি পুরো একটা কোর্স বানিয়েছি "কীভাবে নিজে থেকে ইংরেজি লিখবে" এর উপর। এবং এর উপর একটা সম্পূর্ণ বই লিখেছি।
ফলাফল? আপনার সন্তান যেকোনো টপিকে নিজে থেকে লিখতে পারবে। মুখস্থ করতে হবে না!
"আমি এই কোর্স এর মাধ্যমে নিজে থেকে ইংলিশ বানিয়ে লিখতে শিখে গেছি এবং লেখার সময় গ্রামার ঠিক রাখা খুবই easly শিখতে পেরেছি । আর এটা করতে গিয়ে আমার অনেকটা গ্রামারও শেখা হয়েগেছে । الحمد لله"
সমস্যা-৬: লজ্জায় প্রশ্ন করে না
সমাধান: মাত্র ১২ জনের ছোট ব্যাচ
বড় ব্যাচে কী সমস্যা?
আমাদের ১২ জনের ব্যাচে:
এই কারণেই আমরা ১২ জনের বেশি নিই না। Quality Compromise করতে চাই না।
মনে রাখবেন — এটা গতানুগতিক কোনো কোচিং সেন্টার না।
এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাওয়া ছাত্রের প্রাইভেট ব্যাচ যেখানে আপনার সন্তান এই proven পদ্ধতি পাবে।
তাহলে আর দেরি নয় — মাত্র ৮টি সিট বাকি!
এখনই সন্তানকে ভর্তি করান — নিচের বাটনে টিপ দিয়ে WhatsApp করুন 👇
📱 এখনই WhatsApp করুনআমার কাছে এমন ৬টা জিনিস আছে যেটা হয়তো বাংলাদেশের হাতে গোনা কিছু টিচারদের কাছে আছে
✓ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষক
✓ ৯+ বছরের অভিজ্ঞতা
✓ ৪টি পুস্তিকা + ২টি বইয়ের লেখক
একটা জিনিস বুঝুন:
১,৮৫,০০০+ কমার্স পরীক্ষার্থী ২০১৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল
⬇️
১,১৭২ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় C Unit-এ চান্স পেয়েছিল
⬇️
৩৪৬ জন বৃত্তি পেয়েছিল (আমি তাদের একজন)
এটা প্রশংসার জন্য না। বোঝানোর জন্য — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত টিচার কয়জন পাবেন?
আমি শুধু পড়াই না — পুরো ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বইও লিখেছি। ৫টা ইংরেজির উপর ( বেসিক ইংলিশ + ইংলিশ নিজে থেকে বানিয়ে লেখা+ বাচ্চাদের শব্দার্থ + বড়দের ইংলিশ Gamebook+ Root Vocabulary) এবং ১টি অ্যাকাউন্টিং এর উপর (মাত্র ৩-ধাপে আর্থিক বিবরণী) এবং গণিতের উপর কাজ শুরু করার পর কোচিং এর ব্যস্ততার কারণে এখন আর শেষ করা হয় নি।
এবং বড় ২টি বই হলো:
১) ইংলিশ শব্দার্থ শেখার জন্য "English Gamebook"
২) হিসাববিজ্ঞানের আর্থিক বিবরণী শিখার জন্য "মাত্র ৩ ধাপে দুর্বলদের আর্থিক বিবরণী"
📝 দ্রষ্টব্য: এই পুস্তিকাগুলো ছোট। বড় বইয়ের লিংক এখানে দেওয়া সম্ভব না কারণ পিডিএফ ভার্সন ইন্টারনেট ছড়িয়ে গেলে বই বিক্রি হবে না। অফিসে আসলে হয়তো সরাসরি বইগুলো দেখতে পারবেন।
কয়েকটি পুস্তিকা দেখতে টিপ দিন:
আমার শিক্ষকরা দেশসেরা। তাদের কাছ থেকে শিখেছি বলেই আজ আমি এত ভালো পড়াতে পারি:
✅ আদিব হোসেন স্যার — ২০০৬ সালে ঢাকা বোর্ডে ২য় স্থান অধিকারী
✅ মোহাম্মদ ফয়সাল স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের admission test এর জন্য বিখ্যাত accounting বই "হিসাব বিচিত্রা" বইয়ের লেখক
✅ আব্দুল আজিজ স্যার — সারা বাংলাদেশে পরিসংখ্যানের উপর সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হওয়া বইয়ের লেখক
✅ মোজাম্মেল হক মারুফ স্যার — Master Grammar, Master Paper সহ আরও ১৪টা বইয়ের লেখক
✅ বেল্লাল হোসেন (মানিক) স্যার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা এবং University of Mexico থেকে intern করে আমেরিকার Dallas, Texas শহরের Deloitte কোম্পানিতে Senior Consultant হিসেবে কর্মরত
এই মানের শিক্ষকদের কাছে Training পাওয়া — এটাই আমাকে আলাদা করে।
২০১৬ সাল থেকে পড়াচ্ছি। প্রায় ৯ বছর পার করে দিলাম পড়ানোর মধ্যেই। ইউনিভার্সিটিতে ঢুকার আগে থেকেই পড়াইতাম, ইউনিভার্সিটি চলাকালীন পড়াইলাম, ইউনিভার্সিটির পরেও পড়াচ্ছি😊। পড়ানো অনেকের জন্য আসলে নেশা, যদিও আমার জন্য এখনো সেরকম নেশা হয়ে উঠে নাই😢।
৯ বছরে শত শত ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়েছি। তাদের সাফল্যই আমার আসল পরিচয়।
বেসিক যে কেমন পড়াই, তা তো আপনি আগেই দেখে নিয়েছেন উপরে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের রিভিউতে। Foundation Recovery Program থেকে শুরু করে প্রতিটা chapter-এ বেসিক ক্লিয়ার করা আমার পদ্ধতির মূল ভিত্তি।
প্রতিটি topic শুরুর আগে বেসিক মাস্টারক্লাস → এটাই আমার সিগনেচার স্টাইল!
ভিডিওতে দেখুন আমি কীভাবে পড়াই এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কেমন interact করি
ভিডিও না দেখা গেলে এখানে ক্লিক করুন
আপনার সন্তানের জন্য সঠিক প্যাকেজ বেছে নিন
(গণিত / ইংরেজি ১ম পত্র / ইংরেজি ২য় পত্র)
(গণিত + ইংরেজি ১ম পত্র)
অথবা (গণিত + ইংরেজি ২য় পত্র)
অথবা (ইংরেজি ১ম + ২য় পত্র)
💰 সাশ্রয়: ২য় বিষয় মাত্র ২,৫০০ টাকা!
(আলাদা নিলে ৬,০০০ টাকা লাগতো)
গণিত + ইংরেজি ১ম পত্র + ইংরেজি ২য় পত্র
আলাদা আলাদা নিলে: ৩,০০০ + ৩,০০০ + ৩,০০০ = ৯,০০০ টাকা/মাস
২টি নিলেও: ৫,৫০০ + ৩,০০০ = ৮,৫০০ টাকা/মাস
মাত্র ৬,৮০০ টাকা/মাস
অর্থাৎ প্রতি সাবজেক্ট মাত্র ২,২৬৭ টাকা!
💰 প্রতি মাসে সাশ্রয়: ২,২০০ টাকা
🎯 স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিন!
৩ বিষয় + জানুয়ারি ১০ এর আগে ভর্তি = সর্বোচ্চ সাশ্রয়!
আপনার সন্তান ৩টি সাবজেক্টে expert হবে সবচেয়ে কম খরচে!
আপনার সন্তান যত তারিখ থেকে কোচিংয়ে ঢুকবে, ঠিক তত তারিখ থেকে বেতন হিসাব করে নেওয়া হবে। কোনো বাড়তি বেতন নেওয়া হবে না।
উদাহরণ: সন্তান ১০ তারিখ থেকে ঢুকলে, আমরা ঐ মাসে তার ২০ দিনের বেতন নিবো।
অর্থাৎ আপনি শুধুমাত্র যেদিন থেকে ক্লাস শুরু হবে সেদিন থেকে টাকা দিবেন — এক পয়সাও বেশি নয়!
উত্তর:
নিচের বাটনে টিপ দিয়ে ফেসবুকে সকল ছাত্র-ছাত্রীর নিজ হাতে দেওয়া মতামত পড়ুন। বুঝতে পারবেন আমরা কত ভালো পড়াই যে একজন দুর্বল বাচ্চাও সহজে বুঝতে পারে।
এখন শুনুন সত্যিটা: ২/৩ দিন ফ্রি ক্লাস একটা স্ক্যাম। প্রথম ২/৩ দিন আমরা খুব ভালো করে পড়াবো, তারপর বেতন নেওয়ার পর দেখবেন সিরিয়াসনেস কমে গেছে। এরকম অনেক জায়গায় হয়।
তাই আমি আপনাকে আরও বড় সুযোগ দিচ্ছি:
আমরা এত বড় কথা বলতে পারি কারণ নিজের পড়ানোর উপর আত্মবিশ্বাস আছে 😊
সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস হয়:
ছেলেদের জন্য: শনিবার, সোমবার, বুধবার
মেয়েদের জন্য: রবিবার, মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার (একই সময়)
প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী নেওয়া হয়। এতে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আলাদা মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়।
শর্ত:
গ্যারান্টি: গণিতে ৭০+ না পেলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
চুক্তিপত্র: প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আপনাকে একটি চুক্তিপত্র দেওয়া হবে যেখানে লেখা থাকবে যে, রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার bKash/ব্যাংক একাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে যদি সন্তান ৭০+ না পায়।
সম্পূর্ণ ঠিকানা:
৩৩/১১, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা - ১২০৭
কীভাবে খুঁজে পাবেন:
কেন্দ্রীয় কলেজ থেকে ২ মিনিটের ব্যবধানে (কেন্দ্রীয় কলেজের সামনে এসে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই হবে যে, "বঙ্গবন্ধু মাঠ" কোনদিকে। সেই মাঠের সাথেই আমাদের প্রতিষ্ঠান)
↑ এই বিল্ডিংয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান অবস্থিত
বিল্ডিং এর ছবি দেখে সহজেই চিনতে পারবেন
গতানুগতিক কোচিং নয় — ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্তের প্রাইভেট ব্যাচ!
সীমিত সিট — মাত্র ১২ জন করে নেওয়া হয়
আর মাত্র ৮টি সিট বাকি!
📱 মোবাইল: ০১৯৪৯-৭২৬৯৯২
📧 ইমেইল: mdsajid-22nd-2015412771@mgt.du.ac.bd
💬 WhatsApp: ০১৯৪৯-৭২৬৯৯২